দুটি ধাপে একটি পুরুষবাচক একবচন ইসম (হেভি ফর্ম) থেকে একটি স্ত্রীবাচক একবচন ইসম গঠন করতে পারি। নিচে প্রতিটি ধাপের বর্ণনা দেয়া হলো :
ধাপ-১:
একবচন পুরুষবাচক হেভি ফর্মের নাসব স্ট্যাটাসের ইসম থেকে نْ /নূন সাকিনকে সরিয়ে দিবো।
| نْ /নূন সাকিন বিহীন ফর্ম | হেভি ফর্ম | স্টেটাস |
| – | مُسْلِمٌ | রফা |
| مُسْلِمَ | مُسْلِمًا | নাসব |
| – | مُسْلِمٍ | জার |
ধাপ-২:
نْ /নূন সাকিন বিহীন ফর্মের সাথে রফা, নাসব ও জার্ ফর্মের জন্য যথাক্রমে ةٌ, ةً ও ةٍ যুক্ত করবো।
| একবচন স্ত্রীবাচক ফর্ম | + | نْ /নূন সাকিন বিহীন ফর্ম | স্টেটাস |
| مُسْلِمَةٌ | ةٌ | مُسْلِمَ | রফা |
| مُسْلِمَةً | ةً | مُسْلِمَ | নাসব |
| مُسْلِمَةٍ | ةٍ | مُسْلِمَ | জার |
নিচের টেবিলে একবচন পুরুষবাচক ও স্ত্রীবাচকের পুরো পরিবর্তনটি দেয়া হলো :
| একবচন স্ত্রীবাচক | একবচন পুরুষবাচক | স্টেটাস |
| مُسْلِمَةٌ | مُسْلِمٌ | রফা |
| مُسْلِمَةً | مُسْلِمًا | নাসব |
| مُسْلِمَةٍ | مُسْلِمٍ | জার |
এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে আরবি শব্দ যখন গোল তা/ ة দিয়ে শেষ হয় এবং ঐ আরবি শব্দের ওয়াকফ করে পড়ি, তখন গোল তা/ ة → সাকিনযুক্ত হা/ هْ দিয়ে পরিবর্তন করে পড়ি। যেমন مُسْلِمَةٌ/মুসলিমাতুন শব্দটিকে ওয়াকফ করে পড়লে مُسْلِمَهْ/মুসলিমাহ্ হয়ে যায়।
আমাদের চারপাশে এরকম অনেক নাম শুনতে পাই যেই নামগুলো মূলত উপরে উল্লেখিত আরবি ব্যাকরণ অনুসরণ করে এসেছে। নিচে কিছু উদাহরণ দেয়া হলো :
| স্ত্রীবাচক | অর্থ | পুরুষবাচক |
| عَابِدَةٌ আ’বিদাহ্ | ইবাদতকারী | عَابِدٌ আ’বিদ |
| مُبَشِّرَةٌ মুবাশশিরাহ্ | সুসংবাদ দাতা | مُبَشِّرٌ মুবাশশির |
| سَاجِدَةٌ সাজিদাহ্ | সিজদাকারী | سَاجِدٌ সাজিদ |
| مُنِيرَةٌ মুনীরাহ্ | আলোকিত | مُنِيرٌ মুনীর |
| حَافِظَةٌ হাফিজাহ্ | ভাল স্মরণশক্তি সম্পন্ন | حَافِظٌ হাফিজ |
| أَمِينَةٌ আমিনাহ্ | বিশ্বাসী | أَمِينٌ আমিন |
| مَحْمُودَةٌ মাহমুদাহ্ | প্রশংসিত | مَحْمُودٌ মাহমুদ |
| مُرْشِدَةٌ মুরশীদাহ্ | পথ প্রদর্শক | مُرْشِدٌ মুরশীদ |
| حَلِيمَةٌ হালিমাহ্ | ধৈর্যশীল | حَلِيمٌ হালিম |
| مَحْفُوظَةٌ মাহফুজাহ্ | নিরাপদ | مَحْفُوظٌ মাহফুজ |

আলহামদুলিল্লাহ
শুকরিয়া