যেসব কারণে একটি ইসম স্ত্রীবাচক হয়

আরবী ব্যাকরণে সাধারণত একটি ইসম পুরুষবাচক হয় অথবা স্ত্রীবাচক হয়।সাধারণভাবে একটি পুরুষবাচক ইসম দিয়ে শুধুমাত্র পুরুষবাচক অথবা পুরুষ ও স্ত্রীবাচক উভয়কে একসাথে বুঝাতে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে শুধুমাত্র স্ত্রীবাচক বুঝাতে আলাদা করে স্ত্রীবাচক ইসমের প্রয়োজন হয়। মুসলিমুন চার্টের একবচনের ক্ষেত্রে, একটি পুরুষবাচক ইসমের শেষে “তা মারবুতা (ة)” এনে তুন, তান, তিন যোগ করে ইসমটি স্ত্রীবাচক করতে পারি ।

মুসলিমুন চার্টের দ্বিবচনের ক্ষেত্রে তা-নি, তাইনি, তাইনি এবং বহুবচনের ক্ষেত্রে আ-তুন, আ-তিন, আ-তিন কম্বিনেশনের মাধ্যমে স্ত্রীবাচক করতে পারি। পূর্বোক্ত কারণগুলি ছাড়াও, নিম্নলিখিত কারণে একটি ইসম স্ত্রীবাচক হতে পারে :

১. জৈবিকভাবে/biologically স্ত্রীবাচক

লিঙ্গবাংলা অর্থইসম
স্ত্রীবাচকএকজন মাأُمٌّ
স্ত্রীবাচকএকজন বোনأُخْتٌ
স্ত্রীবাচকএকজন মহিলাامْرَأَتٌ
স্ত্রীবাচকমারইয়াম (আ)مَرْيَمُ

২. যদি কোন শব্দ তা মারবুতা (ة),আলিফ মামদুদাহ (اء) অথবা আলিফ মাকসুরাহ (ى) দিয়ে শেষ হয় 

৩. শরীরের যেসব অঙ্গ জোড়ায় জোড়ায় আছে  

লিঙ্গবাংলা অর্থইসম
স্ত্রীবাচকহাতيَدٌ
স্ত্রীবাচকপাرِجْلٌ
স্ত্রীবাচকচোখعَيْنٌ
স্ত্রীবাচককানأُذُنٌ

. কোরআনে ব্যবহৃত নির্দিষ্ট জায়গার নাম 

লিঙ্গবাংলা অর্থইসম
স্ত্রীবাচকমিসরمِصْرُ
স্ত্রীবাচকমক্কাمَكَّةُ
স্ত্রীবাচকমদীনার পূর্বনামيَثْرِبُ
স্ত্রীবাচকরোমالرُّومُ 

৫. অমানবীয় বহুবচন/Non-human plural একবচন স্ত্রীবাচক হিসাবে বিবেচিত হয়

লিঙ্গবাংলা অর্থঅমানবীয় বহুবচন
স্ত্রীবাচকবাড়িগুলোبُيُوْتٌ
স্ত্রীবাচকঅন্তরসমুহقُلُوْبٌ

 ৬. আরবরা কিছু শব্দকে স্ত্রীবাচক হিসাবে বিবেচনা করেছেন

আরবরা কিছু শব্দকে স্ত্রীবাচক হিসাবে বিবেচনা করেছেন।পরবর্তী পোস্টে বিস্তারিত দেখানো হয়েছে

error: Content is protected !!